কন্টেন্ট রাইটিং হলো পেশাদার মার্কেটিং এর জন্য এক ধরনের কন্টেন্ট তৈরি  করার কাজ যা নির্দিষ্ট  অনলাইন বা অফলাইন পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হয় ।

কন্টেন্ট রাইটিং শিখার উপায়ঃ

কোনো কিছু নিয়ে লেখাকেই কন্টেন্ট রাইটিং বলে । লেখাটা হবে বিস্তারিত এবং তথ্যবহুল । এর বিষয় যে কোন কিছু হতে পারে । রাইটিং শেখার জন্য সবার প্রথমে কন্টেন্টের ধরন নির্বাচন করতে হবে । 

content writing process

প্রকারভেদঃ

বিভিন্ন রকমের আর্টিকেল রাইটিং রয়েছে । উদাহরণস্বরূপ-

কন্টেন্ট রাইটিং যেভাবে শুরু করা যায়ঃ

১। প্রথমে নিজের পছন্দমত টপিক বাছায় করতে হবে। নিজের যে বিষয়ে জ্ঞান রয়েছে সে বিষয় গুলো খুজে বের কুরতে হবে ।

২।  যখন নিজের পছন্দমত টপিক খুজে পাওয়া যাবো তখন একজন  ভালো কন্টেন্ট রাইটিং এর খুজ করতে হবে করন সঠিক গাইড লাইন ছাডা সফল হওয়া যায় না ।

৩। আর নিজেকে সব সময় ক্রিয়েটিভ থাকতে হবে ।  প্রতিদিন কিছু না কিছু লিখতে হবে এবং নিজের ভুলগুলো শুধরাতে হবে ।

৪ নিজের লেখার ধারাবাহিকতা বজায়  রাখার জন্য একটি ফ্রি ব্লগ  ওয়েবসাইট  তৈরী  করতে হবে এবং সেখানে প্রতিদিন নিজের পছন্দ্মতো বিষয় পোষ্ট করা।

৫। লেখার সময় অবশ্যই  পডতে হবে ।

কন্টেন্ট রাইটিং থেকে আয় করার জনপ্রিয়ো  অনলাইন ওয়েবসাইটগুলো হলোঃ—

 

জনপ্রিয়ো বাংলা  ওয়েবসাইটগুলো হলোঃ-

  • জে-আইটি
  • প্রথম আলো
  • টেন মিনিট স্কুল
  • সফল ফ্রিল্যান্সার
  • টেক টিউন

৪র্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে ইউটিউব মার্কেটিং এর বর্তমান ও ভবিষ্যত

নিজস্ব স্টাইল থেকে লিখা জরুরীঃ

অন্যকে অনুকরণ করে নয় বরং নিজের স্টাইল এবং অডিয়েন্স এর ধরন অনযায়ী কন্টেন্ট লিখতে  হবে। সেভাবে বিষয় উপস্থাপন করতে হবে।

 ইনকাম করার উপায়ঃ

ফ্রিল্যান্সিংহলো সেক্টরের সবচেয়ে সম্মানজনক একটি পেশা । আর এই পেশাটি সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডেবল । একজন মানসম্মত রাইটার তার লেখা 1k word এর  কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্য 1k-1.5k  পর্যন্ত চার্জ নিয়ে থাকে । সেদিক থেকে বিচার করলে , প্রতি একদটি শব্দ প্রতি ১ টাকা করে নেওয়া হয় ।

এই উত্তর দেওয়াটা বেশ কঠিন। এটা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে যেমন: আপনি কি ধরনের কন্টেন্ট লিখছেন, কোন ফরম্যাট অনুসরণ করছেন, বাংলা নাকি ইংরেজি কন্টেন্ট, কোন কোম্পানীতে জয়েন করছেন, ইত্যাদি।

তবে আপনার ধারণা দেওয়ার স্বার্থে বলতে পারি, একজন কন্টেন্ট রাইটার গড়পড়তা মানের কোনো পোর্টালে কাজ করলে শুরুতে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পান।